২৭ বছর পর দিল্লির শাসনভার গ্রহণে বিজেপি

২৭ বছর পর দিল্লির শাসনভার গ্রহণে বিজেপি

২৭ বছর পর দিল্লির ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে বিজেপি, ফলাফলে স্পষ্ট এগিয়ে তারা

দিল্লির ২০২৫ বিধানসভা নির্বাচনে দীর্ঘ ২৭ বছর পর বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে, এমনটাই ইঙ্গিত মিলছে ভোট গণনার শুরু থেকেই। আজ শনিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত গণনা অনুযায়ী, ৭০ আসনের মধ্যে বিজেপি ৪২ আসনে এগিয়ে রয়েছে এবং আম আদমি পার্টি (আপ) ২৮ আসনে। কংগ্রেস একটি আসনে কিছু সময় এগিয়ে থাকলেও পরে পিছিয়ে পড়েছে।

প্রাথমিক বুথফেরত সমীক্ষায় বিজেপির জয় পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল এবং গণনার শুরু থেকেও সেই ফলের পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে হচ্ছে। প্রথম রাউন্ডের গণনায় আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং মুখ্যমন্ত্রী আতিশি কিছুটা পিছিয়ে ছিলেন। পরবর্তী রাউন্ডে এগোলেও, ষষ্ঠ রাউন্ড শেষে কেজরিওয়াল আবার পিছিয়ে পড়েন। বিজেপির প্রভেশ ভার্মা সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। কালকাজি আসনেও আতিশি বিজেপি প্রার্থী রমেশ বিধুরীর কাছে পিছিয়ে যান।

এবারের নির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই ছিল, যেখানে কংগ্রেস এবং আপ নিজেদের পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ ছিল। বিজেপি শুরু থেকেই উৎফুল্ল ছিল কারণ তাদের সমর্থন ব্যহত হয়নি ছোট ব্যবসায়ী, পাঞ্জাবি উদ্বাস্তু, সরকারি কর্মী এবং মধ্যবিত্তের মধ্যে। বাজেটে আয়কর ছাড় দেওয়ায় বিজেপি আরও একটি সুবিধা পেয়েছে, যা গণনার গতি থেকে স্পষ্ট।

বিজেপি পূর্বাঞ্চলীয় ভোটারদের সমর্থন পেয়েছে, বিশেষ করে মনোজ তিওয়ারির প্রচারণায় এবং যোগী আদিত্যনাথের উপস্থিতিতে। দিল্লির মুসলিম অধ্যুষিত ৭টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। কংগ্রেসের ভোট বাড়াতে আপের ক্ষতি হতে পারে।

এছাড়া বিজেপির প্রচারে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল—প্রথমত, আপ নেতাদের দুর্নীতি, দ্বিতীয়ত, স্থানীয় নেতাদের একত্রিত প্রচারণা এবং তৃতীয়ত, আরএসএসের সক্রিয়তা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দলের মুখ হিসেবে প্রচার চালানোর ফলে, বিজেপি এবার হারানোর হ্যাটট্রিক কাটাতে সক্ষম হতে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.